ভালোবাসার এক ব্যার্থ জীবনের গল্প
কলেজের প্রথম দিন থেকেই আমার চোখ জুড়ে ছিল তার অপরূপ সৌন্দর্য। সে ছিল আমার ক্লাস মিড। নাম তার শীখা। তার মুখ ছিল চাঁদের মতো উজ্জ্বল, চোখ ছিল জলের মতো নীল, ঠোঁট ছিল গোলাপের মতো লাল। তার হাসি ছিল যেন এক মধুর সুর।
আমি প্রথম থেকেই তাকে পছন্দ করতাম। কিন্তু সাহস করে কখনো তার সাথে কথা বলতে পারিনি। শুধু দূর থেকে তাকে দেখেই মন ভরে নিতাম।
কলেজের শেষের দিকে একদিন সাহস করে তার সাথে কথা বললাম। সে আমাকেও পছন্দ করত। আমরা দুজনেই একে অপরের সাথে প্রেম করতে শুরু করলাম।
কিন্তু আমাদের প্রেম বেশি দিন স্থায়ী হল না। আমাদের সম্প্রদায়ের মধ্যে বিবাহের রীতিনীতি ছিল ভিন্ন। আমাদের পরিবারের সম্মতি ছিল না আমাদের বিয়েতে।
আমরা দুজনেই খুব কষ্ট পেলাম। কিন্তু আমাদের পরিবারের চাপের কাছে আমরা হার মানলাম। আমাদের প্রেম থেকে বিচ্ছিন্ন হতে হল।
আমি তাকে ভুলতে পারলাম না। বিয়ের পরও আমার মনের মধ্যে সে সবসময় ছিল। সংসারের ঝামেলার মাঝেও তাকে নিয়ে আমার গৃহযুদ্ধের মতন অবস্থান যেন ২১ বছরেও শেষ নেই।
আমি এখনও তাকে ভালোবাসি। কিন্তু সে আর আমার জীবনে নেই। সে আমার জন্য শুধুই এক গল্প হয়ে রয়ে গেছে।
গল্পের শেষ
এই গল্পটি একটি বাস্তব জীবনের গল্প। এই গল্পে একজন মানুষের ভালোবাসার ব্যর্থতার কথা বলা হয়েছে। এই গল্পটি থেকে আমরা শিখতে পারি যে, ভালোবাসা সবসময় সুখের হয় না। কখনো কখনো ভালোবাসা আমাদের কষ্টও দিতে পারে।
এই গল্পটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, ভালোবাসার আগে আমাদের সম্প্রদায়ের রীতিনীতি এবং আমাদের পরিবারের সম্মতি নিয়ে ভাবতে হবে।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন